শিরোনাম
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি | ০৮:৫১ এএম, ২০২৩-০৭-১৪
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবানেও চাষ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম, যার প্রতি কেজি খুচরা বাজারে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই আম ৫০০০-৬০০০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। যেখানে বাংলাদেশের বাজারে প্রচলিত আমের দাম প্রতি কেজি জাতভেদে ৪০ থেকে ১০০ টাকাতেই পাওয়া যায়।
দামি এই আমটি বাংলাদেশের কোন জাত নয়। আমটি জাপানি প্রজাতির বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। তবে এটি বিভিন্ন দেশেও চাষ হচ্ছে। জাপানি ভাষায় আমটিকে বলা হয় 'মিয়াজাকি'। টকটকে লাল রঙ ও আকারে বড় হওয়ায় এই আমটি 'এগ অব দ্য সান' বা সূর্যডিম নামেও পরিচিত। বিশ্ববাজারে এটি 'রেড ম্যাঙ্গো' বা 'এগ অব দ্য সান' নামে পরিচিত। তবে বাংলায় এই আমটি পরিচিতি পেয়েছে "সূর্যডিম" নামে। এই আমের গড়ন সাধারণ আমের চাইতে বড় ও লম্বা, স্বাদে মিষ্টি এবং আমের বাইরের আবরণ দেখতে গাঢ় লাল অথবা লাল-বেগুনির মিশ্রণে একটি রঙের। একেকটি আমের ওজন ৩৫০ থেকে ৪৫০ গ্রামের মতো হয়। সে হিসেবে বাংলাদেশের বাজারে একেকটি আমের দামই পড়ে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা। মূলত চাহিদা মোতাবেক যোগান কম থাকা, মিষ্ট-স্বাদ, ভিন্ন রঙ এবং চাষপদ্ধতির কারণে আমটির দাম এতো বেশি। প্রতি কেজি আম ৩০০ থেকে ৫০০টাকায় বিক্রি করলেও এই আম খুচরা বাজারে গিয়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়।
দামি এই আমটি চাষ করে ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছেন মেরিডিয়ান এগ্রো। বিশ্বের নানান জাতের আম উৎপাদনেও বেশ সুখ্যাতি রয়েছে কোম্পানিটির। ছাদ-বাগান প্রিয় মানুষদের জন্যেও রয়েছে 'মেরিডিয়ান এগ্রো ফিশারিস' (লিংক ঢুকতে ক্লিক করুন) থেকে এসব গাছের চারা ক্রয়ের মাধ্যমে নিজেদের বাগান গড়ে তোলার দারুণ সুযোগ।
সূর্যডিম আম সাধারণত মে মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখে পাকা শুরু হয় এবং জুনের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত পাওয়া যায়। চলতি বছর আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে আমটি পাওয়া যাচ্ছে জুলাইতেও।
এই আম চাষে নিতে হয় বিশেষ যত্ন। পরিমিত আলো, পানি, ছায়া সরবরাহের পাশাপাশি, প্রতিটি আম প্যাকেট দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়।
এখনও এই আমের ক্রেতা খুব হাতে গোনা কিছু সৌখিন আমপ্রিয় মানুষ বলে জানা গেছে। মেরিডিয়ান এগ্রো তাদের বাগানে প্রায় ৩৮ জাতের আম সেই সঙ্গে ড্রাগনফল, নানান জাতের বরই, সফেদা সহ প্রায় ১০০ জাতের দেশি-বিদেশী, প্রচলিত-অপ্রচলিত, বিলুপ্ত জাতের ফল চাষ করে আসছেন।
সরকারিভাবে বিভিন্ন পুরস্কার পাওয়া এই প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জনাব সৈয়দ এস, এম কামাল পাশা'র পরিকল্পনা- এসব আম সহ তাঁদের উৎপাদিত নানান জাতের ফলের চাষ দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে রপ্তানিযোগ্য পণ্যে পরিণত করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা। তিনি বলেন, "আমি চাই ফলের আবাদ সারা বাংলাদেশে হোক। আমি আগ্রহী অনেক কৃষকদের বিনা পয়সায় বা নামমাত্র দামে চারা দিচ্ছি। সবাই যদি চাষ করে এসব ফলের ফলন বাড়ায়, তাহলেই দেশের চাহিদা মিটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।"
পার্বত্য চট্টগ্রামের মাটি ও আবহাওয়া মিয়াজাকির ফলনের জন্য উপযোগী। এই আম আরও কয়েকটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ফলানো হচ্ছে। এই আমের বাণিজ্যিক ফলন হলে কৃষকদের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে পাহাড়ি এলাকার প্রচলিত আম আম্রপালির ফলন ও বাণিজ্যিক প্রসারের দিকেই এখন বেশি মনোযোগ দেয়া হচ্ছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব কমল কৃষ্ণ রায়।
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ উদ্বোধনের নামফলকে নিজের নাম দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সড়ক পরিবহন ও...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : ইকরামুল হক, বিশেষ প্রতিনিধি: বর্তমান বৈশ্বিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে আদর্শিক শূন্যতা, নৈতিক অবক্ষয় ও ...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : লামা-আলীকদম সড়কের লাইনঝিরি মোড়ে জায়গা জবর দখল চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে, একজন বিজিবি সদস্যর বিরুদ্ধে ...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের নোয়াহাট এলাকায় শিপন (৩৫) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ক...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : জাহিদ হাসান,লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি।।বান্দরবানের লামায় আন্তর্জাতিক সেবা মূলক সংস্থা এপেক্স ক...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মনিরামপুর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 dailyonusondhan | Developed By Muktodhara Technology Limited