শিরোনাম
দৈনিক অনুসন্ধান | ১০:২২ এএম, ২০২৫-০৪-১২
সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের ৬০ মৌজার সীমানা নির্ধারণের দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে ওঠেছে সন্দ্বীপ। জাহাইজ্জারচর- ভাসানচরকে নোয়াখালীর সাথে সংযুক্তের কথা আলোচনায় আসে ২০১৭ সালে। তখন ২৭ জানুয়ারি ২০১৭ সালে স্থানীয় এনাম নাহার মোড় এলাকায় বাটাজেড়া-কাটগর বাঁচাও আন্দোলন নামে প্রথম আন্দোলনে আসে সন্দ্বীপের কিছু যুবক। এরপর এ আন্দোলন দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সন্দ্বীপবাসীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, ঢাকায় বসবাসরত সন্দ্বীপবাসী ও প্রবাসীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে প্রতিবাদ জানায়। পরবর্তীতে ভাসানচর ও স্বর্ণদ্বীপ নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।
জুলাই বিপ্লবের পটপরিবর্তনের পর গত ৪ এপ্রিল শুক্রবার উপজেলা কমপ্লেক্স গেইট এলাকায় সীমানা নির্ধারণের দাবিতে আবারও আন্দোলনে আসে সামাজিক সংগঠন সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন। এরপর বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। গত ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হাতিয়ার পক্ষে নোয়াখালী প্রশাসন কোন দলিলপত্র দেখাতে পারেনি।
ভাসানচর, শালিকচর, চর বাতায়ন, চর মোহনা, চর কাজলা, কাউয়ারচরসহ ৪৭৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা সন্দ্বীপের ভূখণ্ডে যুক্ত হয়ে নতুন দ্বীপাঞ্চল গঠিত হচ্ছে। ১৯৫৫ সালের জরিপ অনুযায়ী, সন্দ্বীপের মোট আয়তন ছিল ৬০৩ বর্গকিলোমিটার, কিন্তু সাগরের গ্রাসে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮২ বর্গকিলোমিটার। তবে নতুন চরগুলির জেগে ওঠা ও সন্দ্বীপের সঙ্গে একীভূত হওয়ার কারণে দ্বীপটির আয়তন বর্তমানে প্রায় ৭২১ বর্গকিলোমিটার হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন চর সন্দ্বীপের সাথে মিশে একটি বিশাল দ্বীপ গঠন করবে। বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, জাহাইজ্যারচর, ভাসানচর, উরিরচর দ্বীপের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। এসব চরগুলির আয়তন বাড়তে থাকায় তা সন্দ্বীপের অংশ হয়ে ওঠছে।
বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি, সন্দ্বীপের জনগণও দীর্ঘদিন ধরে ভাসানচরকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাসানচর ও অন্যান্য চর সন্দ্বীপের অংশ হওয়া উচিত, যেহেতু সেগুলি এর ভূ-সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে মিশে যাচ্ছে।
সন্দ্বীপের উন্নয়নও দ্রুত এগোচ্ছে। সম্প্রতি সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম রুটে ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে, যা দ্বীপবাসীকে চট্টগ্রামে আসা-যাওয়ার জন্য কাদা-জলে হাঁটা থেকে মুক্তি দিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য সন্দ্বীপকে একটি “রিসোর্ট দ্বীপ” হিসেবে গড়ে তোলা, এবং ইতিমধ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখানে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা শুরু করেছেন।
সর্বশেষ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল বিকেল ৩ টায় সন্দ্বীপ নদী সিকস্তি পুনর্বাসন সমিতি উপজেলা কমপ্লেক্স গেইট ও সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন এনাম নাহার মোড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের মাধ্যমে ৬০ মৌজার সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান।
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ উদ্বোধনের নামফলকে নিজের নাম দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সড়ক পরিবহন ও...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : ইকরামুল হক, বিশেষ প্রতিনিধি: বর্তমান বৈশ্বিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে আদর্শিক শূন্যতা, নৈতিক অবক্ষয় ও ...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : লামা-আলীকদম সড়কের লাইনঝিরি মোড়ে জায়গা জবর দখল চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে, একজন বিজিবি সদস্যর বিরুদ্ধে ...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের নোয়াহাট এলাকায় শিপন (৩৫) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ক...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : জাহিদ হাসান,লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি।।বান্দরবানের লামায় আন্তর্জাতিক সেবা মূলক সংস্থা এপেক্স ক...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মনিরামপুর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 dailyonusondhan | Developed By Muktodhara Technology Limited