শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:৫৭ এএম, ২০২৪-০৯-২৯
গত সোমবার (১৬ই সেপ্টেম্বর) চান্দিনা উপজেলার কেরনখাল ইউনিয়ন এলডিপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেছেন, ‘পোস্টারের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। আগে আওয়ামী লীগ চাঁদাবাজি করত, এখন করছে বিএনপি।'
সেই চাঁদাবাজির কালো থাবা থেকে বাদ পড়েনি চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপাঞ্চল সন্দ্বীপও! বিএনপি'র যুবদলের নাম ভাঙিয়ে অনেক স্বঘোষিত নেতাকর্মী ইতিমধ্যে সন্দ্বীপে মাছের ঘাট, হাট-বাজার সহ নানান ভাবে চাঁদাজির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে।
জানা যায়- সন্দ্বীপের পৌরসভা মার্কেট'র মাছ বাজারের এক দায়িত্বশীলকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে, নিজেদের সন্দ্বীপ উপজেলা যুবদলের কর্মী পরিচয় দিয়ে একটি চাঁদাবাজ চক্র মোটা অংকের চাঁদা দাবী করেন।
পরে প্রাণভয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি ৬০ (ষাট) হাজার টাকায় কথিত সেই যুবদল'র সন্দ্বীপ পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের আপলাতুন উকিলের বাড়ির মৃত মামুন ফেরদৌস (স্বপন)'র ছেলে মোঃ রিংকু, হদিন্নার গো বাড়ির রুবেল এবং মুসিদ মাষ্টারের বাড়ির টিটুদের সাথে মিটমাট করেন।
স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় রিংকু, রুবেল এবং টিটু আওয়ামী সরকারের পতনের পর থেকেই সক্রিয়ভাবে চাঁদাবাজি সহ নানান অপকর্মের সাথে জড়িত। এ ব্যাপারে রিংকুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি চাঁদাবাজির ব্যাপারটা অস্বীকার করেন এবং নিজেকে যুবদলের কর্মী বলেও দাবী করেন, যদিও সন্দ্বীপে ঐ ওয়ার্ডে এখনো কোনো যুবদল অনুমোদিত কমিটি নেই।
অন্যদিকে ভুক্তভোগীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "চাঁদাবাজির ব্যাপারটা সত্য। যা দিয়েছি, দিয়ে মিটমাট করে নিয়েছি। শান্তিতে ব্যবসা করতে চাই। এখন নতুন করে আবার এসব খবরের পর যদি চাঁদা চায় বা ক্ষতির চেষ্টা করে, সেই ভয়ে কোথাও অভিযোগ করার সাহস পাচ্ছি না!"
বিষয়টি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ এস এ মুরাদ চৌধুরী জানার পর বলেন, "সন্দ্বীপে দীর্ঘদিন আমাদের কোনো কমিটি হয়নি। ঘটনার সত্যতা পেলে আপনারা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এ ধরনের কোনো কুলাঙ্গারের ঠাঁই আমাদের দলে নাই। এদের কোনো দল নেই।"
বর্তমানে সারা দেশে প্রতিদিন যে পরিমাণ চাঁদা দিতে হয় তার প্রভাব প্রতিটি জিনিসপত্রের দামে ৫ শতাংশ হারে যোগ হচ্ছে। আর সেই বাড়তি টাকার মাশুল দিতে হয় জনসাধারণকে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে শুরু করে সন্দ্বীপের ইলিশ ঘাট সহ গ্রাম-গঞ্জের সর্বত্রই চলছে বিএনপি'র এসব আগাছার চাঁদাবাজি। ফলে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী রাতারাতি বিলাসবহুল গাড়িও কিনছেন। বিএনপির সেসব চাঁদাবাজি এখন পত্রপত্রিকায়ও আসছে। যদি চাঁদাবাজি বন্ধ হয় জিনিসপত্রের দাম অনেক অনেকাংশে কমে যাবে।
তাই বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দরাও বলেন- সারা দেশে এসব আগাছার কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য নেতাদের অবস্থান খুবই কঠোর। তাই সারা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এসব কুলাঙ্গার চাঁদাবাজদের দল থেকে বহিষ্কার করা এবং ভবিষ্যতেও দলের কোনো পদে না রাখা এখন জনসাধারণের প্রাণের দাবিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : চরম মানবিক সংকট, চিকিৎসার অভাব আর লাগাতার বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজা ছাড়তে রাজি নন বয়স্ক ফিলিস্তি...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) উত্তর-দক্ষিণ বিভাগ ও বাকলিয়া থানার যৌথ অভিযানে বাকলিয়া এলাকা...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : ব্যানার টাঙানো ঘিরে নগরে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে মোঃ সাজ্জাদ (২২) নামে এক যুব...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামে হাসপাতাল থেকে পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত ছিনতাইকারীসহ আরও ...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম নগরের নন্দনকাননে অবস্থিত ‘হিল সাইড রেস্টুরেন্টে’ অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদাল...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 dailyonusondhan | Developed By Muktodhara Technology Limited