শিরোনাম
দৈনিক অনুসন্ধান | ১১:৩৩ এএম, ২০২৫-০৮-২৩
ইকরামুল হক বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া থানা হাজত থেকে গতকাল শুক্রবার (২২ আগষ্ট) চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দুর্জয় চৌধুরী (২৭)'র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে প্রশাসন। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব একইসাথে চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্বশীল।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, "স্কুল ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন কর্তৃক দায়ের করা জিডির ভিত্তিতে ওই স্কুলের অফিস সহকারী দুর্জয় চৌধুরী (২৭)কে ৫৪ ধারায় হাজতে রাখা হয়েছিল। সকালে গলায় শার্ট পেঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়।" এ ব্যাপারে জিডির কপিতে অভিযোগ কি ছিল জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কাছে জিডির কপি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন। তিনি পরে দেখাবেন বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
অপরদিকে নিহতের পিতা কমল চৌধুরীর দাবী- তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কোনো মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র একটি জিডির ভিত্তিতে আটক করে হত্যা করেছে। এ ঘটনাকে হত্যা দাবী করে নিহতের পিতা কমল চৌধুরী বলেন, "চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন ওমরা হজ্বে থাকাকালে বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনেন। দুইটি চেকের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমান দেখালে নিষ্পত্তির জন্য ৭৬ হাজার টাকা দিয়েছি। কথা ছিল বিদ্যালয়ে বসে বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু তিলকে তাল করে প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন স্কুল অফিসে ডেকে নিয়ে যায় আমাকে (পিতা কমল) সহ দুর্জয় চৌধুরীকে। এরপর স্কুল কমিটির সভাপতি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব আমাদেরকে ডেকে নিয়ে যান চকরিয়া থানায়। সেখানে রাত ১০টার দিকে দুর্জয়কে থানা হাজতে রেখে একটি জিডি করেন প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন। তখন থানায় ছেলেকে রেখে আমাকে বাড়ি তে পাঠিয়ে দেয়া হয়। অথচ সকালে বলা হয়- আমার ছেলে দুর্জয় চৌধুরী গলায় নিজের গায়ের শার্ট পেঁচিয়ে ঝুলে নাকি আত্মহত্যা করেছে।"
নিহতের পিতার দাবী আত্মসাৎ করার অভিযোগের নিষ্পত্তির জন্য ৭৬ হাজার দিয়েছি। তারপরেও মিথ্যা অজুহাতে আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে থানা হাজতে ঢুকিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন গং। এ খবরে চকরিয়ার চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।
এ হত্যার বিচার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। পরে চকরিয়া থানার সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেছে ভরামুহুরী হিন্দুপাড়ার সহস্রাধীক সনাতনধর্মী ও এলাকাবাসী।
সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) অভিজিৎ দাস জানান, "এ ঘটনায় দ্বায়িত্ব পালনকারী এএসআই হানিফ মিয়া, কনষ্টেবল ইসরাত ও কনষ্টেবল মহিউদ্দিন নামের ৩ পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।"
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) অভিজিৎ দাস কোর্ট ইন্সপেক্টর চকরিয়া আনোয়ারুল ইসলামকে নিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : চরম মানবিক সংকট, চিকিৎসার অভাব আর লাগাতার বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজা ছাড়তে রাজি নন বয়স্ক ফিলিস্তি...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) উত্তর-দক্ষিণ বিভাগ ও বাকলিয়া থানার যৌথ অভিযানে বাকলিয়া এলাকা...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : ব্যানার টাঙানো ঘিরে নগরে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে মোঃ সাজ্জাদ (২২) নামে এক যুব...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামে হাসপাতাল থেকে পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত ছিনতাইকারীসহ আরও ...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম নগরের নন্দনকাননে অবস্থিত ‘হিল সাইড রেস্টুরেন্টে’ অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদাল...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 dailyonusondhan | Developed By Muktodhara Technology Limited