শিরোনাম
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি | ১০:৩৭ এএম, ২০২৫-০৯-২৮
বাংলাদেশের আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তার পরও এ অপরাধে জড়ালে শাস্তি হবে না মনে করছে ২৭.৫৮ শতাংশ অভিযুক্ত। ৮৪টি আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদী, ভুক্তভোগী ও আসামিদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ তথ্য পেয়েছে।
পিবিআইর গবেষণাটি অবশ্য অনেক বড়। তারা ১১ হাজার ৬২৮টি মামলা বিশ্লেষণ করেছে। বিভিন্ন থানা ও আদালতে হওয়া এই মামলাগুলো পিবিআই তদন্ত করেছে। এই মামলাগুলো দায়েরের সময় ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল। ২৫২টি মামলার তদন্ত এখনও চলছে।
ধর্ষণের ঘটনার বৃদ্ধির কারণ, প্রতিকার, মামলার তদন্ত এবং রায় বিশ্লেষণ করতে পিবিআই আলোচিত ৮৪টি ধর্ষণ মামলার ৮৭ অভিযুক্তের কাছে ৩১টি বিষয় জানতে চায়। তাতে দেখা যায়, ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের ২০.২৩ শতাংশ আগে থেকে মাদকাসক্ত। পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ২৭.৩৮ শতাংশ। প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের মতো গর্হিত কাজ করেছে ৩৩.৩৩ শতাংশ অভিযুক্ত। ভুক্তভোগীর মধ্যে ছাত্রী ও শিশু ৭২.৬১ শতাংশ।
মামলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনেক ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর আত্মীয় ও পরিচিত। অধিকাংশ ভুক্তভোগী অতিদরিদ্র।
২০১৮ সালে বিচারিক আদালতে দেওয়া ১০৪টি ধর্ষণ মামলার রায় পর্যবেক্ষণও করে পিবিআই। রাজশাহী, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর, নওগাঁ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, বরিশাল, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, শেরপুর, নারায়ণগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন আদালত থেকে এসব রায় দেওয়া হয়। এর মধ্য ১২টি মামলায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। সাজার হার ১১.৫৪ শতাংশ। ৯২টি মামলায় আসামিরা খালাস পান, যা মোট মামলার ৮৮.৪৬ শতাংশ।
ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বিষয়টি আসামির জানা ছিল কিনা–এ প্রশ্নের জবাব জানতে চাইলে ৮৭ আসামির মধ্যে ১৫ জন বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি তাদের জানা ছিল। মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি জানা ছিল না ৩৭ জনের। ৩৫ জনের কাছ থেকে এ ব্যাপারে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
ধর্ষণের মতো ঘটনায় শাস্তি হবে না– আসামির ভাবনায় এমনটি ছিল কিনা জানতে চাওয়া হলে ৮৭ অভিযুক্তের মধ্যে ২৪ জন বলেছেন, শাস্তি হবে না। ২৬ জনের ধারণা ছিল, শাস্তি হবে। ৩৭ জনের উত্তর জানা সম্ভব হয়নি।
ধর্ষণ মামলার তদন্তে পুলিশ কী ধরনের সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়, সে বিষয়টি পিবিআই বিশ্লেষণ করেছে। তাতে দেখা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদন দুর্বল হলে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন। অসম্পূর্ণ অথবা অপর্যাপ্ত তথ্যসংবলিত এবং ত্রুটিপূর্ণ এজাহার মামলার পরবর্তী তদন্তের ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হয়ে দেখা দেয়।
পিবিআইপ্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, সমাজ থেকে এ ধরনের অপরাধ কমাতে সবার ভূমিকা জরুরি। শুধু শাস্তি দিয়ে অন্যায় বন্ধ করা যায় না। মূল্যবোধ ও নৈতিকতাবোধ জাগ্রত করতে হয়। তিনি বলেন, ধর্ষণের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূল করতে হলে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনেক বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন আছে। তা না হলে অভিযোগ আসবে, মামলা হবে, তদন্ত হবে, বিচার চলবে। কিছু অপরাধীর সাজা হবে, কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, দেশে যারা ধর্ষণের মতো ঘটনায় জড়িত, তাদের অনেকের অদৃশ্য প্রভাব-প্রতিপত্তি রয়েছে। অনেকে তাদের প্রটেকশন দেয়। অন্যদিকে, ভুক্তভোগীরা থাকেন আতঙ্ক ও অসহায় অবস্থায়। বিচার পাওয়ার জন্য তাদের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে কী হবে– এমন আশঙ্কা তাদের মাঝে দেখা দেয়। এ ছাড়া বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে অভিযুক্তদের মধ্যে বেপরোয়া ভাব থাকে। তারা কোনো কিছুকে তোয়াক্কা করে না।
ভুক্তভোগীদের বিষয়ে গবেষণায় বলা হয়, ঘটনার পর অনেক ভুক্তভোগীর মানসিক পরিস্থিতি নাজুক হয়ে যায়। কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকে মারা যান। তাই ভুক্তভোগী কখন, কোন পরিস্থিতিতে, কীভাবে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন নির্ভুলভাবে সেই বর্ণনা পাওয়া যায় না। কতজন জড়িত ছিলেন, সেটা নিয়ে সংশয় থাকে। ভুক্তভোগীর সঙ্গে সাবলীলভাবে কথা বলে অনেক বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য নিতে হয়। তবে দীর্ঘদিনের সামাজিক রীতিনীতি, আচার এবং পারিপার্শ্বিক কারণে অনেক ভুক্তভোগী এ বিষয়ে কথা বলতে চান না। এতে তদন্ত প্রতিবেদনে অস্পষ্টতা থেকে যায়। এর সুযোগ গ্রহণ করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী।
তদন্তের সময় ভুক্তভোগী অনেক বিষয়ে নিশ্চুপ থাকলেও আদালতে জেরার সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী তাকে রেহাই দেন না। ভুক্তভোগী যদি বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে’– এই বাক্যের অন্তর্নিহিত সত্য যা-ই থাকুক, আসামি পক্ষ এর থেকে সুবিধা পাবে বলে পিবিআইর বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। আইনি সচেতনতার অভাবও অনেক সময় বাদী পক্ষের বিরুদ্ধে কাজ করে।
পিবিআইর প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিধেয় বস্ত্র বা অন্য আলামতগুলো সংরক্ষণ এবং উপস্থাপনে ব্যর্থতাও ধর্ষণের মামলা সুষ্ঠু তদন্তের ক্ষেত্রে অন্তরায়। আমাদের দেশে আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব ও প্রযুক্তির ঘাটতি রয়েছে। এজাহারে ঘটনার বিবরণের সঙ্গে বাদীর বা ভুক্তভোগীর বক্তব্য, সাক্ষ্য, তদন্তে পাওয়া ফলাফলের মধ্যে সামান্য গরমিলের ক্ষেত্রে আসামি পক্ষ এর পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করে থাকে।
পিবিআই বলছে, অনেক ধর্ষণ মামলার কোনো সাক্ষী পাওয়া যায় না। ভুক্তভোগী নিজেই একমাত্র সাক্ষী, যা এ ধরনের মামলা তদন্ত ও প্রমাণের ক্ষেত্রে আরেক বড় প্রতিবন্ধকতা।
২০১৯ সালের ৫ জুলাই রাজধানীর ওয়ারীতে খুন হয় সাত বছরের এক শিশু। পরে তদন্তে উঠে আসে, একই ভবনের এক বাসিন্দা ঘটনার দিন থেকে নিখোঁজ। পেশায় তিনি রংমিস্ত্রি। পরে তাকে ঘিরে সন্দেহ হয় পুলিশের। কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। খুনের আগে শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। জানাজানি হওয়ার আশঙ্কা থেকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন অভিযুক্ত। এর পর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন আসামি। পুলিশের তদন্তে উঠে আসে– বিকৃত মানসিকতা থেকে পূর্বপরিচিত শিশুটিকে টার্গেট করা হয়।
২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে একটি বাসায় প্রবেশ করে চার ডাকাত। টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের পাশাপাশি তারা ওই বাসার চার নারী সদস্যকে ধর্ষণ করে। পরে তদন্তে উঠে আসে, দুর্বৃত্তদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডাকাতি। পরে ঘরে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় তাদের মাথায় কুচিন্তা আসে। পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত মেলে। এই ঘটনায় করা মামলায় তিন ডাকাত আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
পিবিআইর বিশ্লেষণে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি খালাসের বিষয়ে কয়েকটি মামলার পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে একটি বাহুবল থানায় দায়েরকৃত। বিচার চলাকালে ভুক্তভোগী তার সাক্ষ্যে বলছেন, ‘ভুল বোঝাবুঝি থেকে মামলা করা হয়েছিল। আসামির বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই।’
১৬ সুপারিশ
মামলা তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে বিশেষ করে তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের জন্য ১৬টি সুপারিশ করেছে পিবিআই। এগুলো হলো– ধর্ষণ-সংক্রান্ত খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রাইমসিন দলকে অবহিত করতে হবে। একজন প্রশিক্ষিত নারী তদন্ত কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠাতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণ করবেন। ঘটনাস্থল বিশ্লেষণ করে ক্রাইমসিন দলের সহায়তায় অপরাধীর যেসব আলামত দিয়ে ডিএনএ পরীক্ষা করা যায়, তা সুচারুভাবে সংগ্রহ করবেন। অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী উভয়ের ডিএনএ পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ ছাড়া জব্দ তালিকা নিখুঁত ও নির্ভুলভাবে এবং সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। ‘পাবলিক সাক্ষী’ ও পুলিশ সাক্ষীদের মোবাইল নম্বর চার্জশিটে সংযুক্ত করতে হবে। শ্রুতি সাক্ষ্য পরিহার করে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী নিতে হবে। তদন্তকালীন ছোটখাটো ত্রুটি দেখা গেলে পিপি, এপিপিদের মাধ্যেম তা সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে। মামলা দ্রুত ‘ট্রায়াল ফাইলে’ পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে তাদের হাজির করার জন্য সব আইনগত প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৭৫, ৮৭ ও ৮৮ ধারায় করতে হবে। এরপরও আসামি হাজির না হলে কার্যবিধি আইনের ৩৩৯(খ) ধারামতে দ্রুত সময়ে যথাযথভাবে মামলাটি বিচারের জন্য পাঠাতে হবে।
সুপারিশে বলা হয়, বাদী, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের অভিযোগ প্রমাণের পক্ষে সঠিকভাবে সাক্ষ্য নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সাক্ষী হাজির করা পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। সাক্ষী হাজির করতে না পারায় অধিকাংশ মামলায় অভিযুক্তরা খালাস পেয়েছে বলে জানায় পিবিআই। থানা পুলিশের সংশ্লিষ্ট সদস্য যথাযথভাবে সমন জারি করেছেন কিনা সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও নিবিড়ভাবে তদারকি করতে হবে। সমন জারির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
আদালত থেকে সমন ইস্যুর পর তা যথাসময়ে থানায় পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা। তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ অন্য সব পুলিশ সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণকারী সংশ্লিষ্টদের অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষ্য প্রদান না করার কারণেও মামলার আসামিরা অনেক সময় সাজা পায় না। তাই জবানবন্দি গ্রহণকারী সবার সাক্ষ্য গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
অনেক মামলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন আদালতে পুলিশ সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রদানের জন্য হাজির করে। অনেক সময় সরকারি কৌঁসুলিরা সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ না করে ফেরত দিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে সাক্ষী যাতে ফেরত না যান তার ব্যবস্থা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পিপি ও এপিপিদের আরও দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়টিতে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
‘পাবলিক সাক্ষীদের’ বাসা থেকে আদালতে যাতায়াতের ব্যয় ও দুপুরের খাবারের ব্যয় সরকারিভাবে পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। সাক্ষীরা সাক্ষ্য প্রদানকালে যাতায়াত ও খাবারের খরচ তাৎক্ষণিকভাবে পেলে বা পাওয়ার ব্যবস্থা থাকলে উৎসাহিত ও সচেষ্ট হবেন। এ ছাড়া বিচারকালীন গড় সময়কাল কমানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিলে বাদী-বিবাদীসহ সংশ্লিষ্টদের ন্যায়বিচারের পথ সুগম হবে বলে এতে বলা হয়।
পিবিআই ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত থানায় দায়ের করা ১০৪৭টি মামলার তদন্ত করেছে। এতে মোট এজাহার নামীয় আসামির সংখ্যা ২২১৯ জন। ৫৭৫টি মামলায় এক হাজার ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। ৪১২টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। ৬০টি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন।
এ ছাড়া আদালতে দাখিল করা ১০৫৮১টি ধর্ষণ মামলার তদন্ত করেছে পিবিআই। তার মধ্যে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে ৫৪৭৪টি মামলায়। এগুলোর চার্জশিট দাখিল করা হয়। ৪২৪৮টি মামলার প্রমাণ মেলেনি। ৬৬৭টি মামলা নানাভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাদীর অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়ও আছে। ১৯২টি মামলা তদন্তাধীন।
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : চরম মানবিক সংকট, চিকিৎসার অভাব আর লাগাতার বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজা ছাড়তে রাজি নন বয়স্ক ফিলিস্তি...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) উত্তর-দক্ষিণ বিভাগ ও বাকলিয়া থানার যৌথ অভিযানে বাকলিয়া এলাকা...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : ব্যানার টাঙানো ঘিরে নগরে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে মোঃ সাজ্জাদ (২২) নামে এক যুব...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামে হাসপাতাল থেকে পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত ছিনতাইকারীসহ আরও ...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম নগরের নন্দনকাননে অবস্থিত ‘হিল সাইড রেস্টুরেন্টে’ অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদাল...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 dailyonusondhan | Developed By Muktodhara Technology Limited